বা র কো ড ও ফি ঙ্গা র প্রি ন্ট

১৮৭৫ সালে জেন জিন্সেন নামক এক ইংলিশ বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেন যে আঙুলের ছাপ একটি অসাধারণ বিষয়। এর রেখার ধরন একটি আরেকটির চেয়ে ভিন্ন এবং সম্পূর্ণ আলাদা। এবং আপনি যা কিছু ছোঁবেন তাতেই আপনার আঙুলের ছাপ বসে যাবে, এটা সবারই জানা কথা তবে ১৪০০ বছর আগের লোকেরা এ ব্যাপারে খুব কম জানতেন।

এই আঙুলের আগার রেখার গঠন ও গড়ন মাতৃগর্ভের প্রথম তিন মাসে হয়। এর অনেক ব্যাখ্যা রয়েছে, একটি হলো মানুষের সকল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এই আঙুলের ছাপে এনকোডেড রয়েছে। আর শুধু আঙুলের মাথার ছাপ দিয়েই আমাদের সকল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য জানা সম্ভব। আঙুলের আগাকে এক কথায় ডাটা ব্যাংক বলা যেতে পারে। ডিএনএ একটি অতি মূল্যবান আবিষ্কার। ডিএনএ আবিষ্কার হওয়ার পর এই ধারণা বদলে গেছে যে কোষ তার অবস্থিত এলিমেন্ট নিয়ে একটি সাধারণ সৃষ্টি নয়। আরও গভীর গবেষণায় এর জটিলতা প্রকাশ পেয়েছে। মানুষের একটি ডিএনএ কোটি কোটি কোড সম্বলিত হয়, আমাদের চুলের রং থেকে শুরু করে নখ পর্যন্ত সকল তথ্য এই কোডে থাকে। আঙুলের আগার একটি ডিএনএ-এর কোড ছাপালে লক্ষ পৃষ্ঠার হাজার কপি বই করা যাবে। আর আঙুলের আগার একটি ডিএনএ দিয়ে যে কারও সকল তথ্য জানা সম্ভব।

বর্তমানে এই ফিঙ্গার প্রিন্টের সাহায্যে অনেক রকমের সুরক্ষা ব্যবস্থাপনাও তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হলো আঙুলের ছাপ দিয়ে সিকিউরিটি লক খোলার বিষয়টি। শোনা যাচ্ছে ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইলের কি-প্যাডও আনলক করা যাবে।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s